Friday, August 8, 2014

প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রন



প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রন (সবারই জানা উচিত)
মেয়েদের মাসিকঋতুচক্র এমন যে এতে এমন কিছু দিন আছে যা নিরাপদ দিবস (Safe period) হিসেবে ধরা হয়এই দিবস গুলোতে স্বামী-স্ত্রীর অবাধ মিলনের (Sexual act) ফলে স্ত্রীর সন্তান সম্ভবা হবার সম্ভাবনা থাকে নাযেহেতু এই পদ্ধতিটি প্রকৃতি গত ভাবেই নির্দিষ্ট করা তাই একে প্রাকৃতিক পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি বলা হয়অনেক সময় একে ক্যালেন্ডার পদ্ধতিও বলা হয়
পদ্ধতি কার্যকর করতে অবশ্যই জেনে নিতে হবে আপনার স্ত্রীর ঋতুচক্রের নিরাপদ দিন কোন গুলোএজন্য সবার আগে জানা চাই তার মাসিক নিয়মিত হয় কি না, হলে তা কত দিন পরপর হয়এবার সবচেয়ে কম যত দিন পরপর মাসিক হয় তা থেকে ১৮ দিন বাদ দিন, মাসিক শুরুর ১ম দিন থেকে দিনটিই হলো প্রথম অনিরাপদ দিনআবার আপনার স্ত্রীর সবচেয়ে বেশী যতদিন পরপর মাসিক হয় তা থেকে ১০ দিন বাদ দিন, মাসিক শুরুর ১ম দিন থেকে দিনটিই হলো শেষ অনিরাপদ দিনধরুন আপনার স্ত্রীর মাসিক ২৮ থেকে ০দিন পরপর হয়তাহলে ২৮-১৮=১০, অর্থাৎ মাসিকের শুরুর পর থেকে প্রথম দিন আপনার জন্য নিরাপদ দিবস, এই দিন গুলোতে অন্য কোনো পদ্ধতি ছাড়াই সঙ্গম করা যাবে১০ম দিন থেকে অনিরাপদ দিবস, তাই ১০ম দিন থেকে সঙ্গমে সংযম আনতে হবেআবার যেহেতু ৩০ দিন হলো দীর্ঘতম মাসিক চক্র তাই ৩০-১০=২০, অর্থাৎ ২০তম দিন আপনার জন্য শেষ অনিরাপদ দিবস২১তম দিবস থেকে আপনি আবার অবাধ সঙ্গম করতে পারবেনএর অর্থ এই উদাহরনে শুধু ১০ম থেকে ২০ম দিবস পর্যন্ত আপনি অবাধ সঙ্গম করলে আপনার স্ত্রীর গর্ভ ধারন করার সম্ভাবনা আছেতবে এই দিবস গুলোতে কনডম (Condom) ব্যবহার করে আপনারা অতি সহজেই ঝুকিমুক্ত থাকতে পারেন
জেনে রাখা ভালো অনিয়মিত ভাবে মাসিক হবার ক্ষেত্রে এপদ্ধতি কার্যকর নয়তবে কারো যদি হিসাব রাখতে সমস্যা হয় তবে সহজ করার জন্য বলা যায় মাসিক শুরুর পর ১ম ৭দিন এবং মাসিক শুরুর আগের ৭দিন অবাধ সঙ্গম করা নিরাপদ
প্রাকৃতিক জন্ম নিয়ন্ত্রন ৮০% নিরাপদ, বা এর সাফল্যের হার শতকরা ৮০ ভাগসাধারনত হিসেবে গন্ডগোল করে ফেলা, অনিরাপদ দিবসেও সূযোগ নেয়া বা ঝুকি নেয়া, অনিয়মিত মাসিক হওয়া এসব কারনে এই পদ্ধতি ব্যর্থ হতে পারেতাই সঠিক হিসেব জেনে নেবার জন্য ১ম বার চিকিৎসকের স্মরনাপন্ন হওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবেকিছু পুরুষের শুক্রানুর আয়ু বেশী হওয়ার কারনে তারা এটায় সফল নাও হতে পারেন এবং সেক্ষেত্রে অনিরাপদ দিবস ২দিন বাড়িয়ে নেবার প্রয়োজন হতে পারে







স্ত্রীকে দ্রুত তৃপ্তির উপায় (Tips to satisfy your wife)
গালে ঠোঁটে ঘন ঘন চুম্বন করা
স্ত্রীর ঊরুদেশ জোরে জোরে মৈথুনের আগে ঘর্ষণ করা
সম্ভোগের আগে যোনিদেশ, ভগাঙ্কুর কামাদ্রি আলতো ভাবে ঘর্ষণ করা
ভগাঙ্কুর মর্দন
মৈথুনকালে স্তন মর্দ্দন
সহাবাসের আগে যদি পুরুষাঙ্গের আগায় খুব সামান্য পরিমাণ কর্পূর লাগানো হয় তবে স্ত্রী দ্রুত তৃপ্তি লাভ রে থাকে তবে কর্পূর যেন বেশি না হয়, তাতে স্ত্রী যোনি পুরুষাঙ্গ জ্বলন অনুভূত তে পারে





most six tips , Six tips , Six tips bangla



পাবেন জানার মত অনেক কিছু সেক্স অবশ্যই গুরূত্বপূর্ণ বিষয়। পড়ুন , জানুন মানুষের মৌলিক চাহিদার অন্যতম অবশ্যই সেক্স পোস্ট গুলোয় কমেন্ট করুন , জানান আপনারা কি চান , পাবেন
 ছেলেদের কিছু ভুল ধারনা
ছেলেরা সেক্স সম্পর্কে অনেক মুভি দেখে, বই পড়ে। এছাড়া অনেক ছেলেরই অনেক মেয়ের সাথে সেক্স করার অভিজ্ঞতা থাকে। মোট কথা একজন ছেলের সেক্স সম্পর্কে একটা মোটামুটি ধারনা আছে। এবং অনেকেই মনে করে যে সে সেক্স নিয়ে  সব জানে। পর্ণ দেখে অনেকেই মনে করে সে চাইলেই সেক্স করতে পারবে, এবং একটা মেয়েকে সম্পূর্ণ স্যাটিসফাই করতে পারবে। ব্লু ফিল্ম, পর্ণ এগুলো থেকে আমরা অনেক কিছু জানি সত্যি, কিন্তু তার সাথে যে বাস্তব জীবনের অনেক তফাত তাও সবাই কোন না কোন সময় টের পেয়েছি। আর ছেলেদের আত্মবিশ্বাসের কারণেই হোক আর পর্ণ থেকে জ্ঞান লাভের কারণেই হোক, তারা সেক্স করার সময় কিছু ভুল করে থাকে প্রায়ই। এসব কিছু
সাধারণ সেক্স ভুলের কথা বলা হল।


আপনি জানেন সে কি চায়: অনেক ছেলেই মনে করে সে জানে তার পার্টনার কি চায়। অনেকেই আগে অনেক মেয়ের সাথে শোয়ার কারনে অনেক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হয়ে ভাবে যে তার জন্য মেয়েদের হ্যান্ডেল করা কোন ব্যপার না। সে চাইলেই একটা মেয়েকে অর্গাসোম দিতে পারে, এবং তার বিশেষ জায়গা গুলো স্পর্শ করে তাকে অনেক বেশি হর্নি করে দিতে পারে। পর্ণ দেখে পরিপক্ক হয়েও অনেকে তা ভাবে। তবে আসল কথা হল, প্রত্যেকটা মেয়ের সেক্সুয়ালিটি অন্য মেয়েদের থেকে আলাদা। তাই অন্য মেয়েদের সাথে তুলনা করে কোন মেয়ের টার্ন অন পয়েন্ট গুলো বোঝা যায় না। তাকে সময় দিয়ে বুঝতে হয়। অনেক মেয়েই লাজুক হয় এসব ব্যাপারে , তাই কখনওই বলে না তারা কি চায়। সে ক্ষেত্রে সেক্সের সময় তার মুখের এক্সপ্রেশন, কর্মকান্ড দেখে প্রত্যেকটা মেয়েকেই আলাদা করে বুঝে নিতে হয়।


সে যা চায় সব আপনার আছে: বেশির ভাগ ছেলেই মনে করে যে একটা মেয়েকে স্যাটিসফাই করার ক্ষমতা তার আছে। কিন্তু এমন অনেক মেয়ে আছে যারা বেশ প্রবল ভাইব্রেশন ছাড়া অর্গাসোম লাভ করতে পারে না। ফিঙ্গারিং(),(), পেনেট্রেশন বাওরাল সেক্সে সে সম্পূর্ণ মজা পায় না। এখানে কোন অস্বাভাবিকতা নেই। এবং এতে কোন ছেলের পৌরষত্ব কমে যায় না। সেক্স করার সময় দুইজন নিজেদের মত কাজ করতে পারে, ঠিক তখনই ভাইব্রেটর তার কাজ করতে পারে। এরকম আরও অনেক কিছুই আছে, আপনি সবসময় যেভাবে সেক্স করেন তাতে সে মজা নাও পেতে পারে। তাই একটা মেয়ের সেক্সুয়ালিটিকে বুঝে তাকে ইন্টারকোর্সে আনন্দ দিতে হবে।


সেক্স ছেলে মেয়ে উভয়ের কাছে একই:  ছেলেদের আরেকটি ভুল ধারনা হল, সেক্সে একটা ছেলে যতটা মজা পাচ্ছে ঠিক ততটাই একটা মেয়ে মজা পাচ্ছে। পেনিস কে ভ্যাজায়নায় ঢুকিয়ে যে মজা তা একটা মেয়ের কাছে তেমন হতে পারে না এটা অনেক ছেলের কল্পনাতেই আসে না। কিন্তু আসলে মেয়েদের ভ্যাজায়নার ভেতরের অংশ বাইরের থেকে আরও অনেক বেশি সেন্সিটিভ। জোরে পেনিস ঢুকালে মজা লাগে সত্যি, কিন্তু পেনিস অনেক বড় হলে অনেক ক্ষেত্রেই মনে হয় যে পেটে কেউ বাড়ি দিচ্ছে জোরে। ব্যথাও অনুভব হয় মাঝে মাঝেই। তাই জোরে দেওয়ার আগে তার অনুভূতিটা বুঝে নিবেন।


মেয়েদের দৈহিক গঠন সম্পূর্ণই আপনি জানেন: ছেলেরা অনেকেই মনে করে যে মেয়েদের দৈহিক গঠন সম্পর্কে সে অনেক কিছুই জানে। ক্লিটরিস, জি স্পট চিনে মানেই সে একটা মেয়েকে অর্গাসোম দিতে পারে সহজেই। কিন্তু ব্যাপারটা তেমনও নয়। একটা মেয়েকে অর্গাসোম দেওয়ার জন্য সেগুলো তার ক্ষেত্রে কিভাবে স্টিমুলেট করতে হয় তা জানাও আবশ্যক। একটা মেয়ের ক্লিটরিস সাক করলে সে হর্নি হয়, আবার আরেকজনের ভাইব্রেটর প্রয়োজন হয়। এসব রকম ফেরের কারনে প্রত্যেককে আলাদা করে অবসার্ভ করতে হয়, এবং বুঝতে হয় সঙ্গিনীকে।


ভেজা মানেই টার্ন অন: মেয়েদের টার্ন অন হওয়া মানেই যেন তার ভ্যাজায়না ভিজে ওঠা। ঠিক না কথাটা। একটা মেয়ের ভ্যাজায়না এমনি তেও ভেজা থাকতে পারে। আবার অনেকক্ষণ মেইক আউটের পরও দেখতে পারেন ভেজে নি ভ্যাজায়না। ভ্যাজায়নার তরল কারও কম হয় কারও বেশি। সেক্সের আগে সবারই কিছু বের হয়, তবে শুকনা দেখলেই ভাববেন না সে যথেষ্ট টার্ন অন হয় নি। এটা সম্পূর্ণই প্রাকৃতিক ব্যপার। তাই ভেজা মাত্রই টার্ন অন হওয়া নয়।


নিস্তব্ধ থাকাই উচিত: ছেলেরা মনে করে সেক্সের সময় চুপ করে সেক্স করতে হয়। মেয়েদের moaning তারা টার্ন অন হয় ঠিকই কিন্তু নিজেরা তেমন কিছু বলে না। শুনে রাখুন, ছেলেদের moaning মেয়েরা শুনতে চায়, এবং এটা তাদের টার্ন অন করে। এছাড়া সেক্সের সময় কিছু ছোট খাট কথা সেক্সকে আরও মজার এবং ভালবাসাময় করে তুলে। যেমন ধরেন আপনি চাচ্ছেন সে আপনার পেনিস সাক করুক। আপনি তাকে নিচে ঠেলে দিবেন? না, নিচে দেখিয়ে বলতে পারেন এভাবে করলে ভাললাগে আমার। এমনকি কিছু মেয়েকে সেক্সের সময় আই লাভ ইউ, বা কোন রোম্যান্টিক কথা বললে তারা আরও হর্নি হয়, এবং আপনার প্রতি আরও অনেক মনযোগী হয়ে উঠবে। বিশ্বাস হচ্ছে না? চেষ্টা করেই দেখুন না





















মেয়েদের হর্ণি করার উপায়- নাম শুনেই আশা করি সবাই বুঝতে পেরেছেন কি নিয়ে বিষয় টি হবে হ্যা , ঠিক  ধরেছেন আজকে কথা বলবো আমরা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যপারটা নিয়ে।  যদি মেয়েকে হর্ণি করা না যায় , তবে তো কোনকিছুতেই কোন লাভ নেই এজন্য আমাদের প্রথমেই জানা উচিত মেয়েদের হর্ণি করার উপায় এটা জানা থাকলেই কেবল আমরা গার্লফ্রেন্ড অথবা যার সাথেই করতে চাই, তাকে ঠিকমত করার পথে নিতে পারবো


প্রতিটি উপায় আমরা বিস্তারিত আলোচনা করবো প্রথমেই প্রধান উপায়টি নিয়ে কথা বলবো এটি হল স্পর্শ বা টাচিং হ্যা , একটা মেয়েকে সেক্স এর জন্য রেডি করা বা হর্ণি করার জন্য প্রথমে যে পদ্ধতিটা প্রয়োগ করা উচিত বা করবেন তা হল স্পর্শ এটিকে শুনতে যেন তেন ব্যপার মনে হলেও এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ঠিকমত স্পর্শ করতে পারলে আপনি খুব সহজেই মেয়েকে কামুকি করে তুলতে পারবেন

প্রথমে অবশ্যই , আপনার আপনার মনের মধ্য থেকে ভয় টা দূর করতে হবে মনে ভয় থাকলে এগুলো অনেক কঠিন হয়ে যাবে যার সাথে করার উদ্দেশ্য আপনার , তাকে আপনি বিভিন্ন সময় টাচ করুন এটি কিন্তু নরমাল হাত ধরা না চেষ্টা করবেন কাধেঁর দিকটায় বেশি ধরার ধরে রেখে দিতে হবে এমন না , ধরুন -ছাড়ুন বিভিন্ন কথা প্রসঙ্গে , অবচেতন ভাবে ভান করে ধরুন খুব ভাল হয় যদি দু তিন বার পিঠের দিকের ব্রা টা স্পর্শ করেন জামার উপর দিয়ে। এটি তাকে যথেষ্টই হর্নি করবে। এসময় যদি একটু ফ্লার্ট করেন তাহলে আরো ভাল হয়।  মেয়ের সাথে ভাল ফ্রেন্ডলি রিলেশন থাকলে গালে কিস করবো ইত্যাদি মজা করার স্টাইলে বলেও তাকে নিজের দিকে টান দিন চেষ্টা করবেন  না তার বুকের দিকে হাত দেয়ার তবে গলা,পিঠ এগুলো ছাড়বেন না খেয়াল করুন সে এগুলোর প্রেক্ষিতে কেমন আচরণ করে। যদি অন্যরকম হাসি বা একটু ইতস্তত বোধ থাকে তার মধ্যে তো ধরে নেবেন আপনি ঠিক পথেই আছেন কিন্তু যদি এমন হয় যে সে দূরে সরে যায় আপনি ধরতে গেলে, কথা ঘোরায় তবে এভাবে চেষ্টা করবেন না মাঝে মধ্যে তার বুকের দিকে তাকিয়ে থাকবেন তাকে বুঝতে দিয়েই লজ্জা বা ভয় পাবেন না মনে রাখবেন , পৃথিবী ব্যাপী সবচেয়ে সহজে এবং সুন্দরভাবে মেয়েকে বিছানায় নেয়া যায় স্পর্শ এর মাধ্যমে   এটিতেই সবচেয়ে সহজে সফল হন বেশিরভাগ মানুষ তাই চেষ্টা ছাড়বেন না , আপনিও পারবেন আজ থেকেই প্ল্যান করে নেমে পড়ুন


আমরা অনেকের কাছ থেকে প্রশ্ন পেয়েছি দ্রুত বির্যপাত বিষয়ে আজকে বিষয়ে স্পষ্ট কথা এবং সলিউশন দেয়া হবে

ছেলেদের প্রথমেই যে প্রশ্ন টা থাকে তা হল , - "আমার দ্রুত বের হয়ে যায় আমি কি করবো ? "

এটির জন্য আমরা অনেকগুলো সলিউশন দেখবো তবে সবার আগে দ্রুত বলতে আপনি কি বোঝান তা বুঝতে হবে একটি ছেলের যদি করার সময় ১০মিনিটের মাথায় বীর্যপাত হয়, সেটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক একে দ্রুত বীর্যপাত বলা যাবে না এমনকি - মিনিট স্বাভাবিক বলা হয় আপনি তখনি আপনার বিষয় টি নিয়ে চিন্তা করবেন যখন আপনার তার থেকেও কম অর্থাৎ - মিনিটে বের হয়ে যাবে কেবল তখনি আপনি বলতে পারবেন যে আপনার সমস্যা অর্থাৎ দ্রুত বের হয়ে যাচ্ছে  চিন্তার কোন কারণ নেই মূল আলোচনার আগে আর একটি প্রচলিত ধারণার কথা বলা যাক

অনেক মানুষ আছেন যারা মনে করেন তার অধিকাংশ সমস্যার কারণ মাস্টারবেশন এটি ভুল ধারণা মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুন সম্পুর্ণ স্বাভাবিক একটি ব্যপার এতে আপনার কোন দিক দিয়েই কোন ক্ষতি হবার চান্স নেই

এই কথাটি বলার কারণ খুব সরল কারণ অনেকেই মনে করে তার দ্রুত বীর্যপাতের আসল কারণ সে অনেক মাস্টারবেট করে এখানে একটি থিওরি আছে বোঝানোর চেষ্টা করছি ধরুণ আপনি বাথরুমে গেলেন মাস্টারবেশন করতে আপনি যসি ২০ মিনিট ধরে করেন তাহলে অবশ্যই আপনার বাসা থেকে ডাকাডাকি হবে , না হলেও আপনার অবচেতন মন আপনাকে তাড়া দেবে এজন্য যা হয় তা হল , অবচেতন ভাবেই ছেলেরা মাস্টারবেট করতে করতে দ্রুত কিভাবে বের করা যায় সেটা শিখে ফেলে পরে সেক্স করার সময় মনের অজান্তেই হয়তো পেনিসের তার সেই স্পেশাল জায়গা অথবা তার সে বিশেষ স্টাইল সে ধরে ফেলে , ফলে তাড়াতাড়ি বের হয়ে যায়

এখন , যাদের আসলেই দ্রুত বের হয়ে যায় তারা কি করবেন ? কারণ অবশ্যই , আপনার গার্লফ্রেন্ড বা ওয়াইফ আপনার পেনিস মুখে নিল , আর আপনার বের হয়ে গেল কিছু করার আগেই , অথবা ধরলো আপনার পেনিস , সাথে সাথে বের হয়ে গেল , অথবা আপনার গার্লফ্রেন্ড বা পার্টনার হয়তো উত্তেজক কিছু করলো আপনার সাথে , তখনি বের হয়ে গেল এগুলো হল সমস্যা সলিউশনে যাই এবার আমরা

একটি ব্যপার স্বাভাবিক ধরুন আপনি অনেকদিন করেন না , আপনার পার্টনারের সাথে অনেকদিন পর করতে গিয়ে উত্তেজনায় দ্রুত বের হয়ে আসলো স্পার্ম এটি স্বাভাবিক  , এতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই এটি আপনার অক্ষমতা নয় এবার আসুন দেখি যাদের দ্রুত বের হয়ে যায় তারা কি কি করতে পারেন -

- হাতের ওপর জোর বাড়ানো অনেক সময় দেখা যায় ছেলেরা করার সময় সব বা প্রায় সব ভর পেনিস এই দিয়ে থাকে , এতে দ্রুত বের হয়ে যেতে পারে তাই হাতে জোর বাড়াতে হবে

- এক পজিশনে বেশিক্ষণ না করে পজিশন বদলে বদলে করতে হবে

- একটি অন্য্রকম পদ্ধতি হল একবার বের করে দেয়া আপনি আপনার স্পার্ম পার্টনার কে দেখিয়ে তার গায়ে অথবা অন্য কোথাও সেক্স এর আগেই বের করুন একবার সে হর্নি হবে দেখে এবার পেনিস টা ভালমত পানি দিয়ে ধুন এবার ২মিনিট ব্রেক এর পর আস্তে আস্তে আবার কিসিং শুরু করুন ১৫মিনিটের মাথায় আবার ঢুকাতে সক্ষম হবার কথা

- ঢোকানো অবস্থায় যদি আপনার মনে হয় যে এখনি বের হয়ে আসছে তখন আর সোজা ধাক্কা না দিয়ে ঘোরানো শুরু করুন হাত দিয়ে পেনিস ধরবেন না

- একটি অভ্যাস প্র্যাকটিস করুন বাসায় নিজে পেনিস কে উত্তেজিত করে বের হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্ত পর্যন্ত নিয়ে যান , এর পর আবার স্বাভাবিক হোন বের না করে এটি সপ্তাহে একবারের বেশি না করাই ভাল কারণ এতে দেহের ক্ষতি হতে পারে

আশা করি এসকল ব্যপারে সতর্ক থাকলে আপনার সেক্স লাইফ হবে আরো মজার



ছেলেদের মত মেয়েরাও অনেক সময়ই অনেক হর্নি হয়ে যায় যে তাদের মাস্টারবেট করার প্রয়োজন হয় মাস্টারবেট হিসাবে মেয়েরা সাধারনত ফিঙ্গারিং করে থাকে মাস্টার্বেট করে সর্বোচ্চ আনন্দ পাওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে ফিঙ্গারিং করে যায় যে ভাবে করে আপনি সবচেয়ে অনন্দ পান, এবং কম্ফোর্টেবল ফিল করেন, সেভাবে ফিঙ্গারিং করুন ফিঙ্গারিং সাহায্য করতে পারে এমন কিছু তথ্যই দেওয়া হল


আপনি যখন বেশ হর্নি ফিল করবেন, বা টার্ন অন থাকবেন তখন ফিঙ্গারিং করা শুরু করুন চাইলে ফিঙ্গারিং করার আগে পর্ন বা সেক্স মুভি দেখুন, এরোটিকা পড়ুনএছাড়া বয়ফ্রেন্ড এর সাথে ফোন সেক্স করার সময় বা এরোটিক কথা বলার সময় করতে পারেন ফিঙ্গারিং হর্নি হলে জি স্পটের চার পাশের স্পঞ্জি এরিয়া গুলোতে রক্ত পৌছায়, ফলে জায়গাগুলো স্ফিত হয় তাতে ফিঙ্গারিং করা সহজ হয় এবং এতে করে আপনি মজাও বেশি পাবেন

ফিঙ্গারিং শুরু করার আগে আপনার ব্রেস্ট চাপতে পারেন, নিপল টুইস্ট করতে পারেন এটি আপনাকে মুড আসতে সহায়তা করবে দুই পা ফাক করে কম্ফোর্টেবল কোন পজিশনে বসুন বা শুয়ে পড়ুন আঙ্গুল লাগান আপনার ভ্যাজায়নাতে আঙ্গুল একটু ঘষুন আস্তে আস্তে চাপুন ভিজে উঠলে ভেতরে ঢুকান একটা আঙ্গুল চাইলে সে সময় আঙ্গুলের পরিবর্তে পেনিস কল্পনা করে নিতে পারেন জোরে ঢুকান বের করুন, আস্তে আস্তে দুইটি বা তিনটি আঙ্গুল দিন ভেতরে আঙ্গুল ঘোরান জি স্পট  স্পর্শ করার চেষ্টা করুন ক্লিটরিস  স্পর্শ করুন, টিপুন, সুড়সুড়ি দিন বেশ মজা পাবেন  আঙ্গুল ব্যথা না পাওয়া পর্যন্ত জোরে ঢুকান এতে স্যাটিস্ফেকশন পাবেন এক হাত দিয়ে ফিঙ্গারিং করার সময় আরেক হাত দিয়ে ব্রেস্ট বা অ্যাস চাপতে পারেন আপনার ভ্যাজায়না ভিজে না উঠার আগে ফিঙ্গারিং শুরু করবেন না, এতে পরে ব্যথা করতে পারে অর্গাসোম লাভ করা পর্যন্ত বা সম্পূর্ণ স্যাটিস্ফাইড হওয়া পর্যন্ত ফিঙ্গারিং করুন

মেয়েদের মাস্টার্বেটে আরো মজা পাওয়ার জন্য আছে বিভিন্ন সেক্স টয় , যেমন ডিলডো, ভাইব্রেটর এসবে লুব্রিক্যান্ট অয়েল মাখিয়ে নিতে পারেন যদি বেশি শুকনো লাগে এর পর পছন্দ মত ভইব্রেশন দিয়ে মাস্টারবেট করুন জি স্পট খুজে বের করা টা মেয়েদের মাস্টারবেটে বেশ গুরুত্বপূর্ণ পরবর্তীতে এর সম্পর্কে বলা হবে জি স্পট খুজে সেখানে জোরে প্রেস করুন এতে আপনার কোন ক্ষতি হবে না বরং অর্গাসোম  লাভ করতে পারবেন সেক্স টয় বা ডিলডো ব্যাবহারে শরীরের কোন ক্ষতি হয় না তবে এগুলো না থাকলে আপনি আঙ্গুল দিয়ে কাজ চালাতে পারেন অনেকে ডিলডোর অভাব মেটাতে পেন্সিল বা অন্যান্য জিনিস ব্যাবহার করে থাকে আপনি যদি এসব ব্যাবহারে মজা পান, এবং কম্ফোর্টেবল হন তবে চেষ্টা করে দেখতে পারেন